ওয়াইফাই কি ও কিভাবে কাজ করে - Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)। Wi-Fi শব্দটি স্বত্বাধিকারী Wi-Fi Alliance নামীয় একটি সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক। কম্পিউটার/ডিজিটাল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার একটি প্রযুক্তি হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)।
ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে। এটি একটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত। ওয়াই-ফাই অ্যানাবন্ড ডিভাইস যেমন— ল্যাপটপ, ভিডিও গেম কনসোল, মার্টফোন কিংবা ডিজিটাল অডিও প্লেয়ার প্রভৃতি একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস পয়েন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারে।
ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য WI-FI নেটওয়ার্কভুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়। হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক। এর ডেটা কমিউনিকেশন গতি খুবই কম এবং সিকিউরিটি ব্যবস্থাও দুর্বল।
ওয়াই-ফাই এর বৈশিষ্ট্য/সুবিধা (Characteristics Advantages of WEF)
• সাধারণভাবে এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃ উন্নত রাউটার এবং নেট এর কারণে কভারেজ বিস্তৃত পরিসরেও পাওয়া সম্ভব।
এর ব্যান্ডউইথ 10 Mbps 50Mbps.
ওয়াই-ফাই LAN-এর চেয়ে সস্তা।
Wi-Fi ল্যান (LAN) এর সাথে সংযুক্ত হবার জন্য কম্পিউটারকে একটি
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কন্ট্রোলার সংবলিত হতে হয়।
রাউটারের সাথে একটি ডিজিটাল সাবস্কাইবার লাইন মডেম এবং একটি ওয়াই-ফাই অ্যাকসেস পয়েন্টকে যুক্ত করায় এর আওতার মধ্যে থাকা সকল ডিভাইসগুলোতে ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা পায়।
ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযোগগুলোর জন্য রাউটার ছাড়াও এড-হক মোডে ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা যায়।
WI-Fi-এর অসুবিধা (Disadvantages of Wi-Fi)
ডেটা স্থানান্তর বেশ ধীরগতিসম্পন্ন। একসাথে অনেক ব্যবহারকারী হলে নেটওয়ার্ক সিগনাল জ্যাম তৈরি করতে পারে।
নির্দিষ্ট এলাকা ছাড়া কভারেজ পাওয়া কঠিন।
নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে।
ওয়াইফাই কি ও কিভাবে কাজ করে
Follow us on Facebook: https://www.facebook.com/rircoderoad/
Follow us on Twitter:

Post a Comment